আজ, রবিবার | ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | রাত ১০:২০

ব্রেকিং নিউজ :
ন্যাম ভবনে জামায়াতের সেই এমপির দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ মাগুরা সাইবার সেলের সাফল্য-আগস্ট মাসে উদ্ধার ৪১ মোবাইল শ্রীপুরে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ১১ জন আটক ৬০ বছর বয়সে ইয়াবা কারবার, ৫০০ পিসসহ গ্রেফতার জামিনে মুক্তির পর কারাফটক থেকে ফের গ্রেপ্তার শ্রীকোল ইউপি চেয়ারম্যান কুটি মাগুরায় মুক্তিপণের দাবিতে মাইক্রোচালক অপহরণ, ৩ ঘণ্টায় উদ্ধার মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পেলেন মুনিরুল ইসলাম মঞ্জু মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জাহিদুল ইসলামকে নেত্রকোনায় বদলি আসিফ মাহমুদ যেন দেশ ছাড়তে না পারে সেই শঙ্কায় দুদকের নিষেধাজ্ঞা মাগুরায় সাংবাদিকের পা কেটে নেওয়ার হুমকিতে থানায় জিডি

কারাগারে ড্রাগ ডিলার তন্বীর নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা রুখে দিলেন মাগুরা জেল সুপার

মাগুরা প্রতিদিন : মাদক মামলায় গ্রেফতার হলেও ব্যবসা থেমে থাকেনি তন্বী খাতুনের! বরং কারাগারের ভেতর থেকেই নতুন করে “নেটওয়ার্ক বিস্তার”-এর মিশনে নেমেছিলেন তিনি। আর সেই মিশনেরই প্রথম চালান—স্বামী দবির মোল্যার পকেটে ভরেই পৌঁছাতে যাচ্ছিল কারা অভ্যন্তরে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। মাঝপথেই থামিয়ে দিয়েছে সতর্ক কারারক্ষী।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে মাগুরা জেলা কারাগারে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন দবির মোল্যা। বাড়ি সদর উপজেলার জুঁইতড়া গ্রামে। স্বাভাবিক দর্শনার্থীর মতো ঢুকতে গেলেও আরপি গেটে তল্লাশির মুখে পড়ে যান তিনি। দায়িত্বরত কারারক্ষী রফিকুল ইসলামের সন্দেহ—আর তাতেই ফাঁস পুরো কাহিনি।

তল্লাশিতে বেরিয়ে আসে জিন্স প্যান্টের পকেটে লুকানো প্রায় ৫০ গ্রাম গাঁজার প্যাকেট। উদ্দেশ্য একটাই—কারাগারের ভেতরে বন্দি স্ত্রী তন্বীর হাতে তুলে দেওয়া।

মাগুরা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক মহিউদ্দিন হায়দার জানান, তন্বী খাতুন দুইদিন আগে মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। তার স্বামী পকেটে গাঁজা লুকিয়ে স্ত্রীকে দিতে এসেছিলেন। কিন্তু আমাদের কারারক্ষিদের সতর্ক রাখা হয়েছিলো বলেই তাদের সেই অপচেষ্টা আমরা রুখে দিতে পেরেছি।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি জানানো হয় মাগুরা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপস্থিতিতে কারাফটকেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসান। সেখানে দোষ স্বীকার করে দবির। আদালত তাকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন-জানান তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদে দবির মোল্যা স্বীকার করেন—“স্ত্রীর জন্যই গাঁজা নিয়ে ঢুকতে গিয়েছিলাম।”

এ ঘটনায় কারাগার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়মতো তল্লাশি না হলে “কারাগারের ভেতরেই আরেকটি মাদক হাব” গড়ে উঠতে পারত! কারা কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারিতে এ যাত্রা রক্ষা পেলো।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology